গরুকে ভারতের জাতীয় পশু ঘোষণার দাবি
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৬-০৫-২০২৬ ০৩:১৩:১৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৬-০৫-২০২৬ ০৩:১৩:১৯ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
ঈদুল আজহার আগে ভারতের বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন ও আলেমরা গরুকে দেশের জাতীয় পশু ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। বর্তমানে ভারতের জাতীয় পশু বাঘ। গরুর কোনো সরকারি মর্যাদা নেই।
আজমির শরিফের আলেমসহ বিশিষ্ট মুসলিম সংগঠন ও আলেমগণ হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বিষয়টির রাজনৈতিক অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করেছেন। জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দের সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানি গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা এবং এর জবাই ও ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি বিধান প্রণয়নের দাবি জানান।
মাদানি বলেন, ২০১৪ সালে মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত একটি সর্বধর্মীয় সম্মেলনেও তিনি এই দাবি জানিয়েছিলেন। সংগঠনগুলোর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ গো-হত্যার রাজনৈতিক অপব্যবহার রোধ করতে এবং এর নামে সংঘটিত গণপিটুনি ও সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
কিছু সংগঠন বিষয়টি নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, অন্যদের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি উত্থাপন করা। সর্বভারতীয় মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মাওলানা শাহাবুদ্দিন রাজভী মাদানির দাবিকে সমর্থন করে বলেন, তার উদ্দেশ্য বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি করা।
অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের মাওলানা খালিদ রশিদ ফারঙ্গি মাহালি বলেন, হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা উচিত। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের কাউসার হায়াত খানও দাবিটিকে সমর্থন করে বলেন, বিজেপি-শাসিত গোয়া, আসাম এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে গরুর মাংস খাওয়া অবাধ, কিন্তু উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে কঠোর অবস্থান; একটি সমান জাতীয় আইন এই অসামঞ্জস্য দূর করতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গেও ইমামদের পক্ষ থেকে একই দাবি জানানো হয়েছে। এ বছরে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের গরু জবাই নিয়ে কঠোর নীতির কারণে ইমামরা কোরবানি করতে নিষেধ করেছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স